দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সিপিডি আয়োজিত খাদ্যপণ্যের মূল্য শৃঙ্খল বিষয়ক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, সরবরাহ ব্যবস্থার অতিরিক্ত ব্যয়ই মূল্যস্ফীতির অন্যতম কারণ। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহ ব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি।
খাদ্যপণ্যের দাম শুধু উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে নয়; দীর্ঘ সরবরাহ ব্যবস্থা, বাজার কাঠামোর দুর্বলতা, মজুতদারি এবং ব্যবসায়ীদের যোগসাজশও মূল্যবৃদ্ধির বড় কারণ। সিপিডির গবেষণায় এসব উঠে এসেছে। বলা হচ্ছে, মূল্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন ধাপে অদক্ষতা, অতিরিক্ত ব্যয় ও ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে আরও তীব্র করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যদ্রব্যের উচ্চমূল্যে শুধু মধ্যস্বত্বভোগীদের দায়ী করলে সমস্যার সমাধান হবে না। উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, মূল্যস্ফীতি সবার জন্যই পেইন। এসব নিয়ন্ত্রণে পরিবহন ও লজিস্টিকস ব্যয় কমানোর পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থাকে দক্ষ ও ব্যয়সাশ্রয়ী করতে হবে।
সিপিডির গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁয়াজ, বেগুন, কাঁচামরিচ, মাছ ও গরুর মাংসের বাজারে কমিশনভিত্তিক লেনদেনের আধিক্য রয়েছে। অন্যদিকে মুরগি ও গরুর মাংস উৎপাদনে উচ্চ খাদ্য ব্যয়ের কারণে অনেক খামারি ন্যায্য মুনাফা থেকেও বঞ্চিত হন।
/অ